স্পাইডার ম্যান ২ এর ফুল মুভি রিভিউ।

 স্পাইডার ম্যান ২ এর ফুল মুভি রিভিউ। 

হ্যালো বন্ধুরা কেমন আছো সবাই আজ আমরা দেখবো স্পাইডারম্যান সিনেমার দ্বিতীয় পর্ব 52 2004 সালে মুক্তি পায় একশন-এডভেঞ্চার সিনেমার আইএমডিবি রেটিং 7.3 যেটা তৈরি করতে খরচ হয়েছিল কুড়ি কোটি ইউএস ডলার আর টোটাল বক্স অফিস কালেকশন হল 78 কোটি 90 লক্ষ একজনের গল্পের শুরুতে দেখা যায় পিটার পার্কারের বান্ধবী অর্থাৎ মেরি জান এখন খুব বড় একজন অভিনেত্রী হয়ে গেছে সেজন্য এখন পুরো নিউইয়র্ক শহর জুড়ে ওর অনেক বড় বড় ছবির পোস্টার লাগানো আছে অন্যদিকে দেখা যায় বিচার এখন নিউইয়র্ক শহরের ঘর ছেড়ে দিয়ে এই শহরেরই একটা সস্তার ঘরে একা একা থাকতে শুরু করেছে আর ওর আর্থিক অবস্থা এখনো আগের মতনই খারাপ ছিল সেজন্য একটা ছোট রেস্টুরেন্টে পিজ্জা ডেলিভারির কাজ করতো কিন্তু মাঝে মাঝে নিজের কাজের ফাঁকে স্পাইডারম্যানের পোশাক পড়ে বিভিন্ন লোকজনকে সাহায্য করতে চলে যেত যে কারণে বেশিরভাগ সময়ই ওর কাছে পৌঁছাতে খুবই দেরি হয়েছে তো আরো সময় মত নিজে কাজগুলোকে করে উঠতে পারত না যে কারণে অল্প কিছুদিনের মধ্যেই তাকে নিজের এই চাকরিটা হারাতে হয় আর সেই একই সাথে ওর ডেলিভারি.

স্পাইডার ম্যান ২ এর ফুল মুভি রিভিউ।

 

অফিস থেকেও এখন আর খুব একটা বেশি টাকা ইনকাম করতে পারছিল না কারন বিগত বেশ কিছুদিন ধরে স্পাইডারম্যানের খুব বেশি ছবি তুলতে পারছিল না যে কারনে এখনো অনেকটা আর্থিক সমস্যায় ভুগছেন আর এসব কিছুর মধ্যেই দেখা যায় পিটার এখন একটা কলেজে ভর্তি হয়েছে কিন্তু স্পাইডারম্যান সেজে সবাইকে সাহায্য করার জন্য কখনোই সময় মতন কলেজে পৌঁছাতে পারতো না সে জন্য বেশিরভাগ সময়ই ও নিজের কাজগুলো কে মিস করে ফেলত আর এরকমই একদিন কলেজে যাওয়ার পর বিচারের কলেজের একজন প্রফেসর ওকে বলতে শুরু করে আমি জানিনা তোমার কি হয়েছে বিগত বেশ কিছুদিন ধরে তুমি সময় মত ক্লাসে আসছ না এমনকি ঠিকভাবে পড়াশোনা করছো না তোমার নাম্বার থেকে অনেকটাই কমে গেছে এমনকি তুমি নিজের রিসার্চ পেপারটা আমার কাছে জমা দেওনি তখন পিকচার বলে আমি ডক্তার অলক টিভিএস এর ওপরে রিচার্জ করছি আর খুব তাড়াতাড়ি ওনার সম্পর্কে একটা পেপার লিখে জমা করব তখন প্রফেসর বলেন তাহলে এই কাজটা তুমি তাড়াতাড়ি করো আর এরপর থেকে তুমি যদি কখনো আমার ক্লাসে দেরি করে আসো তাহলে আমি তোমাকে ফেল করিয়ে দেবো এবার দেখা যায় সেদিনের সমস্ত কাজ মিটিয়ে রাতের বেলায় পিঠে নিজের আন্টির সঙ্গে দেখা করতে এসেছিল কিন্তু ঘরে ঢোকার পর দেখা.

 

ওখানে মেরি জান আজহারী দাঁড়িয়ে আছে আসলে আজ পিটারের জন্মদিন ছিল সেজন্য ওরা দুজন এখন পিটারকে সারপ্রাইজ দিতে এসেছিল আর ওদের দুজনকে এখানে দেখার পর পিটার খুবই খুশি হয় এবার কিছুক্ষণ পরেই সাথে কথা বলে পিটার জানতে পারে যে এখনো নিজের বাবার অফিসে একটা নতুন প্রজেক্টে কাজ করছে আর এই প্রজেক্টটা কে দেখাশোনা করছে পিটারের প্রিয় বিজ্ঞানী ডঃ অটো টিভিএস যেটা শুনে আমি তো পড়ি রিসার্চ করছি তখন হ্যারি বলে ঠিক আছে তাহলে একদিন ওনার সঙ্গে আমি তোমার পরিচয় করিয়ে দেবো এবার রাতের অনুষ্ঠান শেষ হওয়ার পর পিঠা খেয়াল করে আন্টিকে ব্যাংক থেকে বেশ কিছু চিঠি পাঠানো হয়েছে যেখানে লেখা ছিল ব্যাংকের টাকা শোধ করতে না পারার জন্য এখন উনার বাড়ি টাকে নিলাম করে দেওয়া হবে আর এটা দেখে পিঠারে খুবই খারাপ লাগে কিন্তু এই মুহূর্তে পিটারের কাছে একদমি টাকা ছিল না সেজন্য চাইলেও নিজের আন্টিকে সাহায্য করতে পারবে না এবার সেই রাতে বাইরে আবর্জনা ফেলতে যাওয়ার সময় বিচারের আমার মেডিসিন এর সঙ্গে দেখা হয়ে যায় বিচারকে বলে এখন তো তুমি অনেক বড় একজন অভিনেত্রী হয়ে গেছে পুরো শহর জুড়ে তোমার বড় বড় পোস্টার লাগানো রয়েছে.

 

মেরি বলে হ্যাঁ কিন্তু এই ব্যাপারটা আমার খুবই অদ্ভুত লাগে আর ওখানে পিটারের সাথে বেশ কিছুক্ষণ কথা বলার পর মেরি জান ওকে জানায় যে ওর জীবনে নতুন একজন মানুষ এসেছে যার সাথে ভবিষ্যতে হয়ত ওর বিয়েও হতে পারে যেটা শুনে পিটার মনে মনে খুবই কষ্ট পায় আর কিছুক্ষণ পর ওখান থেকে নিউইয়র্ক শহরের নিজের ছোট্ট ঘরে ফিরে আসে আর মেডিসিন এর কথা চিন্তা করে বিচার ওখানে সারারাত খুবই মন খারাপ করেছিল এবার কিছুদিন পর হ্যারি কথামতন ডক্টর অটো টিভিএস এর সঙ্গে পিটারের পরিচয় করিয়ে দেয় ওখানে ডক্টর অফ টিভিএস বলেন আমার কাছে কলেজ স্টুডেন্ট দের সাথে কথা বলার মতন একদম সময় নেই কিন্তু যেহেতু হ্যারি আমার এই প্রজেক্ট এর সমস্ত টাকা দিচ্ছে সেজন্য তোমার সাথে আমি কথা বলতেই পারি আর এরপর ডক্টর অফ টিভিএস পিটারকে নিজের নতুন আবিষ্কার সম্পর্কে বোঝাতে শুরু করেন উনি পরমাণু শক্তির সাহায্যে এমন এক ধরনের মেশিন তৈরি করতে চলেছেন যেটার সাহায্যে সারাজীবন ধরে সীমাহীন শক্তি পাওয়া যাবে সূর্য যেমন সারা জীবন ধরে পুরো পৃথিবীতে শক্তি প্রদান করে যাচ্ছে ঠিক একই রকমভাবে এই মেশিনটা সারাজীবন ধরে নিজের মধ্যে থেকে অসীম পরিমাণ শক্তি উৎপন্ন করতে পারবে আর এখানে সবকিছু ভালোভাবে.

 

দেখার পর পিঠার ওনাকে বলে আপনি যদি এই মেশিনটা কি সঠিক সময়ে নিয়ন্ত্রণ করতে না পারেন তাহলে এটা থেকে উৎপন্ন শক্তির সাহায্যে পুরো শহরটাই হয়তো পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে যাবে তখন ডঃ পিয়াস বলেন আমি সারা জীবন ধরে এটা যেন পরীক্ষা করে গেছি আর এখন আমার এই আবিস্কারটা কোনভাবেই ভুল হতে পারে না কাল আমি প্রথমবারের জন্য নিজের এই মেশিনটার প্রয়োগ করব আর এটাকে দেখার জন্য তুমি ওখানে সঠিক সময়ে পৌঁছে যাব এবার ওখান থেকে বেরোনোর পর সেদিন সন্ধ্যেবেলায় পিটারের মেডিসিনের অনুষ্ঠান দেখতে যাওয়ার কথা ছিল কিন্তু রাস্তা দিয়ে যাওয়ার সময় দেখতে পাই একটা চোরকে ধরার জন্য বেশকিছু পুলিশের গাড়ির পিছনে তাড়া করেছে আর সেজন্য পিঠার তাড়াতাড়ি করে স্পাইডারম্যানের পোশাক পড়ে ঐ চোরগুলো কে ধরার জন্য পুলিশকে সাহায্য করে যে কারণে মেরি গানের অনুষ্ঠানে পৌঁছাতে ওর অনেকটা দেরি হয়ে যায় আর সঠিক সময়ে ওখানে পৌঁছাতে না পারার জন্য ওই অনুষ্ঠান চলাকালীন পিটারকে ভেতরে ঢুকতে দেওয়া হয়না অনুষ্ঠান চলাকালীন ওখানে পিঠে কে দেখতে না পেয়ে আমিও মনে মনে খুবই কষ্ট পায় এবার ঠিক করেছিল ওই অনুষ্ঠানে থেকে বেরোনোর পর ও মেয়ের সঙ্গে দেখা করবে সেজন্য ও বাইরে রাস্তার পাশেই মেরি জন্য অপেক্ষা করতে থাকে.

 

কিন্তু দেখা যায় ওখানে অনুষ্ঠান শেষ হওয়ার পর মেয়েটির সঙ্গে দেখা করার জন্য অন্য একটা ছেলে এসেছিল আর ওদের দুজনকে একসাথে দেখে পিটার বুঝে যায় এটা সেই ছেলেটা ছিল কিছুদিন আগে যার কথা মেরি পিয়ার কে বলেছিল আর দূরে দাঁড়িয়ে ওদের দুজনকে দেখার সময় পিঠা খেয়াল করে রাস্তার মধ্যে দিয়ে ব্যক্তিটি পুলিশের গাড়ি কটা অপরাধীকে ধরার জন্য ওদের পিছনে তাড়া করেছে আর সেজন্য পিটার এখন মেরি সাথে কোন রকম ভাবে কথা না বলে নিজের স্পাইডারম্যানের পোশাক পড়ে ওই অপরাধীদেরকে আটকানোর জন্য বেরিয়ে পড়ে এখানে খুবই ভালভাবে বোঝা যাচ্ছিল স্পাইডারম্যান হয়ে সবাইকে সাহায্য করার জন্য পিঠার নিজের ব্যক্তিগত জীবনে কোন ভাবে সময় বের করে উঠতে পারছিল না এবার ওই অপরাধের পিছনে বেশ কিছুটা যাওয়ার পর দেখা যায় হঠাৎ করে বিচারের হাত থেকে জল বেরোনো বন্ধ হয়ে গেছে যেখানে হাওয়ার বেশ ওপর থেকেও একটা বাড়ির ছাদের উপর এসে পড়ে আর ওখানে ও খেয়াল করে দেয়ালের ওপারে চলার ক্ষমতা টাকেও পুরোপুরি হারিয়ে ফেলেছিল আর এখন ওপরে উচু বিল্ডিং থেকে নিচের দিকে তাকালেও ওর মাথা ঘুরছিল যার মানে হল এখন হঠাৎ করে পিটার স্পাইডার ম্যানের সমস্ত মোহনার অলৌকিক শক্তি হারিয়ে ফেলেছিল যে কারণে ওখান থেকে.

 

পিটার কে হেঁটে হেঁটে নিজের বাড়ি ফিরে আসতে হয় এবার দেখা যায় পরের দিন সকালে ডক্টর অক্টাভিয়াস নিজের আবিষ্কারটা করতে চলেছেন আর এটাকে দেখার জন্য উনি ওই শহরের সমস্ত সংবাদমাধ্যমকে ডেকে এনেছিলেন এমনকি আবিষ্কার দেখার জন্য পিটার আজহারী ওখানে সময় মতন পৌছে গেছিল আর উনার এই আবিষ্কারের কাজে সাহায্য করার জন্য চারটি হাত যুক্ত মেটালের একটা যন্ত্র বানিয়েছিলেন যে মেশিনের মধ্যে চারটে যান্ত্রিক হাত লাগানো ছিল এই হাত গুলো অনেক আধুনিক এবং উন্নত প্রযুক্তি দিয়ে তৈরি করা হয়েছিল সেগুলো প্রচুর পরিমান তাপ সহ্য করতে পারত এবং একই সঙ্গে এ গুলোর উপরে কোনরকম চুম্বকের শক্তি কাজ করতো না আর সবচেয়ে মজার ব্যাপার হলো এই মেশিন গুলোর মধ্যে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স বা কৃত্রিম বুদ্ধি ব্যবহার করে এই মেশিনগুলো নিজস্ব একটা মস্তিষ্ক দেওয়া হয়েছিল যেটার সাহায্যে ওরা চাইলে নিজেদের ইচ্ছামতো যেকোনো কাজ করতে পারতো কিন্তু এই মেশিনগুলোর ওপরে একটা শক্তিশালী চিপ লাগানো ছিল যেটা সাহায্যে ডক্টর অফ টিভিএস নিজের মস্তিষ্কের সাহায্যে হাতগুলোকে নিজের ইচ্ছামত নিয়ন্ত্রণ করতে পারতেন আর এরপর কিছুক্ষণের মধ্যেই ডক্টর অফ টিভিএস নিজের নতুন.

 

কারীর কাজ শুরু করতে থাকেন আর এই আবিস্কারটা করার জন্য উনি ট্রিটিয়াম নামের খুবই দুর্লভ একটা ধাতুর ব্যবহার করেছিলেন এবার দেখা যায় প্রথমের দিকে ওনার আবিস্কারটা একদম সফল হয়েছিল আর উনি নিজের একটা কৃত্রিম সূর্য তৈরি করতে সক্ষম হয়েছিলেন যেটার সাহায্যে সারা জীবন ধরে অসীম পরিমাণ শক্তি উৎপন্ন করা যাবে কিন্তু অল্প কিছুক্ষণের মধ্যেই দেখা যায় ওই মেশিনের শক্তিটা প্রচন্ড পরিমানে বেড়ে গেছে যে কারণে ওই মেশিনের মধ্যে থেকে একটা চুমু খেয়ে শক্তি উৎপন্ন হয়েছিল যার ফলে ওই ঘরের মধ্যে থাকা সমস্ত লৌহ-ইস্পাত জিনিসকে ওই মেশিনটা নিজের মধ্যে টেনে নিচ্ছিল আর অল্প কিছুক্ষণের মধ্যেই ওই ঘরের মধ্যে থাকা সমস্ত জিনিসপত্র ওই মেশিনটা দিকে এগিয়ে যেতে শুরু করে যেটা দেখে হ্যারি দূর থেকে ডক্টর অব টিভি আজকে এই মেশিনটা বন্ধ করতে বলে কিন্তু ডক্টর অফ টিভিএস বলেন সবকিছু ঠিক আছে খুব তাড়াতাড়ি আমি সমস্ত জিনিস আবার নিজের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে নেব কিন্তু আস্তে আস্তে ওই মেশিনের ক্ষমতা এতটাই বেড়ে গেছিলো যে এখন ওটা পুরোপুরি ভাবে ডক্টর অফ টিভিএস এর নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছিল আর তখনই ওই মেশিনের সাহায্যে ওই ঘরের সমস্ত কাচের দরজা ভেঙে ভেতরে দিকে এগিয়ে আসতে শুরু.

 

আর এর মধ্যে থেকে একটা ধারালো কাঁচের টুকরো ডক্টর অফ টিভিএস এর স্ত্রীর শরীরে ঢুকে যায় যে কারণে উনি ঘটনাস্থলেই মারা যান আর সেই একই সাথে ওই মেশিন থেকে উৎপন্ন হওয়া প্রচন্ড শক্তির ফলে ডক্টর টিকে আছে শরীরে লাগানো উচিত হাতগুলোকে নিয়ন্ত্রণ করার চিপ টা পুরোপুরি নষ্ট হয়ে যায় আর এটার সাথে সাথেই উনি সঙ্গে সঙ্গে অজ্ঞান হয়ে ওখানে মাটিতে পড়েছেন আরে সবকিছু চলাকালীন পিঠার ওখান থেকে স্পাইডারম্যানের পোশাক পড়ে তাড়াতাড়ি করে ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায় আর ওখানে কোন বড় দুর্ঘটনা ঘটার আগেই স্পাইডারম্যান বই ম্যাচিং তাকে পুরোপুরি বন্ধ করে দেয় যার ফলে এই পুরো শহরটা খুবই বড় একটা দুর্ঘটনার হাত থেকে বেঁচে যায় এবার দেখা যায় এসব কিছুর পর ডক্টর অফ টিভি আজকে একটা হসপিটালে নিয়ে আসা হয়েছে আর ওখানে দেখা যায় বিস্ফোরণের ফলে এখন এই যান্ত্রিক হাতগুলো পুরোপুরিভাবে উনার শরীরের সঙ্গে জুড়ে গেছে এখন ওনার শরীর থেকে এই যান্ত্রিক হাতগুলোকে আর কোনভাবেই আলাদা করা যাবে না আর এখন একমাত্র উপায় হল এই যান্ত্রিক হাত গুলোকে কেটে শরীর থেকে আলাদা করা এবার অপারেশন রুমের মধ্যে ডাক্তারেরা যখন অন্যের যান্ত্রিক হাতগুলোকে কেটে ওটাকে ওনার শরীর থেকে আলাদা.

 

চেষ্টা করছিল তখন হঠাৎ এই যান্ত্রিক হাতগুলো ওখানে নিজে থেকে চালু হয়ে যায় আর ওখানে থাকা সমস্ত ডাক্তার আর নার্স কে ঘাটগুলো মেরে ফেলতে শুরু করে আসলে যেহেতু এই যান্ত্রিক হাত গুলোর মধ্যে নিজস্ব কৃত্রিম বুদ্ধি ছিল সেই জন্য এখন নিজেদের আত্মরক্ষার জন্য ওরা নিজেদের ইচ্ছামত সবাইকে মেরে ফেলতে শুরু করে আর এই সমস্ত ঘটনা চলাকালীন রক্তারক্তি আজকে অপারেশন টেবিলে অজ্ঞান হয়ে পড়েছিলেন উনি তখন কিছুই জানতেন না যে ওনার শরীরের সাথে লাগানো চারটে যান্ত্রিক হাত এতক্ষণে কি ঘটনা ঘটিয়ে ফেলেছে এবার এই ঘটনার বেশ কিছুক্ষণ পর একটি বিশেষ জ্ঞান ফিরে আসে আর হসপিটালের মধ্যে সবাইকে মেরে ফেলার পর ওখান থেকে পালিয়ে সেই জায়গাটা চলে আসেন কিছুক্ষণ আগে যেখানে নিজের আবিষ্কার করতে গিয়ে উনি বিস্ফোরণ ঘটিয়ে ফেলেছিলেন আর নিজের আবিষ্কার ধ্বংস হয়ে যাওয়ার জন্য অনেক সারারাত ওখানে খুবই মন খারাপ করে থাকেন এই আবিষ্কারের পেছনে যার সারা জীবনের কষ্ট ছিল আর এখন এটা ধ্বংস হয়ে যাওয়ার পর উনি ঠিক করেন নিজের এই স্বপ্ন টা শেষ হয়ে যাওয়ার সাথে সাথে উনি নিজে আত্মহত্যা করে ওখানে মারা যাবেন কিন্তু তখন উনি নিজের মাথার মধ্যে বেশ কিছু কথা শুনতে পান.

Leave a Comment