স্কুইড গেইম ২ নেটফ্লিক্স কোরিয়ান টিভি সিরিজ রিভিউ।

  স্কুইড গেইম ২ নেটফ্লিক্স কোরিয়ান টি

স্কুইড গেইম ২ নেটফ্লিক্স কোরিয়ান টিভি সিরিজ রিভিউ।

ভি সিরিজ রিভিউ। 

আসসালামুয়ালাইকুম তগত ভিডিওর মাধ্যমে আমরা নেটফ্লিক্সের জনপ্রিয় সিরিজ স্পেট ক্যামেরা এক্সপ্লেনেশন শুরু করেছি এটি নিঃসন্দেহে একটি দুর্দান্ত ওয়েব সিরিজ যারা এখনো মূল ওয়েব সিরিজটি দেখেননি এবং দেখতে চান তারা ডিসক্রিপশন বক্স থেকে delivery.com এ ভিজিট করতে পারেন সেখানে আপনারা ন্যায্যমূল্যে নেটফ্লিক্স অ্যামাজন অ্যামাজন প্রাইম উল্লু ওল্ড বালাজি সহ আরো অন্যান্য সাইটের ভার্সেস পেয়ে যাবেন এবং রাষ্ট্রের সেখান থেকে আপনারা কিভাবে পয়েন্ট সিস্টেম করবেন এই ব্যাপারে একটি বিস্তারিত ভিডিও আমাদের করা আছে যার লিংক আপনারা ডেসক্রিপশন বক্সে পেয়েছেন এছাড়া ওভারসিসের সময় আপনার অবশ্যই তাদেরকে জানাবেন যে আপনারা আমাদের চ্যানেল থেকে গিয়েছেন আর তাহলেই আপনারা পেয়ে যাবেন একটি নিশ্চিত উপহার এবার ফিরে আসা যাক স্ক্রিমের এক্সপ্লেনেশন এদিকে 1000-2000 এক্সপ্লেনেশন দেখেননি তারা দয়া করে.

 

উইক স্ক্রিনশটটি দেখে নিবেন এখন এই বিষয়টা শুরুতে আমরা দেখতে পাই প্রথম দিনের জন্য যেসকল প্লেয়াররা মারা গিয়েছিল যে মেরে স্টাফরা তাদের লাশ বক্সে করে কোথায় টেনে নিয়ে যাচ্ছিল সেখানে একজন প্লেয়ার তখনও বেঁচে ছিল আর সে হাত বের করে বাঁচার জন্য সাজো চাইলেও স্টাফরা ঐ লোকটিকে বক্সে বন্দি করে ফেলে এ থেকে আমরা বুঝতে পারি যদি এই গেমে এলিমিনেট হওয়ার পরও কোন প্লেয়ার বেশি থাকে তবে তা কেউ যেকোনো ভাবে মেরে ফেলা হবে এদিকে যে প্লেয়াররা বেঁচে গিয়েছিল তারা মৃত্যুর ভয়ে আতঙ্কিত হয়ে পড়েছিল তখন সেখানে ওয়েস্টার আসে এবং তাদেরকে জানাই যে প্রথম দিনের গেম শেষে 456 জন প্লেয়ার এর মধ্য থেকে মাত্র 200 একজন প্লেয়ারই বেঁচে আছে আর এই 201 জন প্লেয়ারই পরেরদিন গিয়ে এই নিয়ে অংশগ্রহণ করতে পারবে তখন একটি মহিলার সামনে এগিয়ে আসে এবং স্টাফদের.

 

অনুরোধ করতে থাকে যেন স্টাফরা তাদেরকে এখান থেকে চলে যেতে দেয় এরপর সেখানে আরো অনেকে স্টাফদের কাছে অনুরোধ করা শুরু করে এছাড়াও কয়েকজন তাদের এই গেমে বিরোধিতাও করে সেখানে করেছেন প্লেয়ার বলে স্টাফেদের কিছু খেলার নাম করে এভাবে তাদের মেরে ফেলতে পারে না তখন স্টাফরা জানায় যে কোন প্লেয়ার চাইলেও এখন আর এই গেম ছেড়ে চলে যেতে পারবে না কারণ তারা এই এগ্রিমেন্ট সাইন করেছিল সেখানে আগে থেকেই উল্লেখ ছিল যে গেম এ অংশগ্রহণ করার পর কোন প্লেয়ার মাঝপথে হাত ছেড়ে বের হয়ে যেতে পারবে না আরো লেখা ছিল যে কোন প্লেয়ার যদি পরবর্তী গেম থেকে বের হয়েও যেতে চায় তবে তাকে এলিমিনেট হিসেবে ধরা হবে এবং তখন তাদের এমনিতেও মরতে হবে এখন জীবনের সেই ছোটবেলার বন্ধু সঙ্গ যাপনের বলে যে এগ্রিমেন্টে আরো একটি কথা লেখা ছিল যে যদি.

 

অংশগ্রহণকারী বেশিরভাগ প্লেয়ার এই গেম থেকে বের হয়ে যেতে চাই তবে এই গেমটি বাতিল করা হবে তাদের সকলকে এই ব্যাপারে ভোট দেওয়ার সুযোগ করে দিতে বলে তখন ভোটের ব্যাপারে স্টাফলার রাজি হয় কিন্তু তার আগেই তারা প্লেয়ারদের প্রাইজমানির কথা বলে জানায় যদি বাতিল বলে ঘোষণা করা হয় তবে গেম এর সম্পূর্ণ প্রাইজমানি সেই সকল প্লেয়ারদের পরিবারের কাছে পৌঁছে দেওয়া হবে যারা ইতিমধ্যে মারা গিয়েছিল আর জিয়ারত নবীজির হয়েছে তাদেরকে সম্পূর্ণ খালি হাতে ফেরত যেতে হবে এখানে লেবারি করতে চায় না তাদেরকে লাল বাটন চেপে ভোট করতে বলে এখন সবার প্রথমে জীবনের ভোট করার পালাসলাল জীবন লাল বাটনটি চেপে গেমে কন্টিনিউ না করার পক্ষে ভোট দেয় তবে সেখানে উপস্থিত সকল প্লেয়ারদের টাকার দরকার ছিল.

 

এবং গেইমের প্রাইজমানি হিসাবে এতগুলো টাকা দেখে অনেকেই লোভ সামলাতে পারে না তাই তারা গেমে কন্টিনিউ করার পক্ষে ভোট দেয় এমনকি সামহো যে কিনা নিজেই এই ভোটের কথা বলেছিল সেও গেমে কন্টিনিউ করার পক্ষে ভোট দেয় এরপর সকল প্লেয়ারদের মধ্যে তর্কাতর্কি শুরু হয়ে যায় এই নিয়ে যে তারা জেনেও কেন নিজেদের জীবন বিপদে ফেলতে চাইছে তখন গেমে কন্টিনিউ করার পক্ষে থাকা একজন প্লেয়ার বলে যে এখান থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পর এমনিতেও তাদেরকে আগে জীবনে ফেরত যেতে হবে যেখানে চারিদিকে শুধু দুঃখ এবং অভাব ছাড়া আর কিছুই নেই কিন্তু এই গেমে থাকলে তাদের কাছে অন্তত নিজেদের সমস্যা সমাধানের একটি সুযোগ থাকবে এখন পক্ষে এবং বিপক্ষে প্লেয়ারদের মধ্যে এই নিয়ে মারামারি শুরু হয়ে গেলে স্টাফরা তাদেরকে থামিয়ে দেয় একে একে দুই জন প্লেয়ারের ভোট দেওয়া শেষ হয় কিন্তু এখানে তাই হয়ে গিয়েছিল অর্থাৎ গেম কোনটি.

 

উপরের পক্ষে এবং বিপক্ষে ভোটের সংখ্যা সমান সমান হয়ে দাঁড়িয়েছিল এরপর সর্বশেষ ভোট দেওয়ার জন্য সেই বৃদ্ধ লোকটি সামনে এগিয়ে গেলে জীবন মনে মনে ভাবে যে লোকটি তো অলরেডি ব্রেন টিউমারে আক্রান্ত তাই হয়তো বায়োগ্যাস কন্টিনিউ করার পক্ষে ভোট দেবে কিন্তু শেষ পর্যন্ত এ বৃদ্ধ লোকটি গেম কন্টিনিউ না করার পক্ষে ভোট দেয় বাকিদের কথা ভেবে কেননা বাকিরা বাড়িতে ফিরতে চাইছিল আর তাই বেশিরভাগ বোর্ড গেম কন্টিনিউ না করার পক্ষে হাওয়ায় গানটি বাতিল বলে ঘোষণা করা হয় তবে যারা তো কোন গেমটি খেলার পক্ষে ছিল তারাও তাদের অনুরোধ করে যাতে তাদেরকে ক্রিকেট খেলার সুযোগ করে দেয়া হয় পরবর্তীতে আবারও বেশিরভাগ প্লেয়াররা ইদেন্টিটি অংশগ্রহণ করতে চায় তবে তারা পুনরায় গেমটি কন্টিনিউ করবে কিন্তু নিয়ম অনুযায়ী এখন যেহেতু গেম কন্টিনিউ না করার পক্ষে প্লেয়ারের সংখ্যা বেশি.

 

সাইকেলটির বন্ধ করা হবে এবং সকল প্লেয়ারদের এখন এখান থেকে চলে যেতে হবে এখন এরপর সকল প্লেয়ারদের হাত পা এবং চোখ বেঁধে রাস্তায় ফেলে চলে যাওয়া হয় যে হন এবং যে মেয়েটি এর আগে টাকা চুরি করেছিল তাদের দুজনকে একসাথে ফেলে যাওয়া হয় যে কোন মেয়ের হাত পা খুলতে সাহায্য করলেও মেয়েটির জীবনের ওই অবস্থায় ফেলে রেখে চলে যেতে চাই কারন সে ভয় পাচ্ছিল এই ভেবে যে জীবন মুক্ত হতে পারলে তার কাছ থেকে সেই টাকাগুলো চাইবে যে ওই মেয়েটির জীবনের কাছ থেকে চুরি করেছিল করেছিল অনুরোধ করলেন এতেই তার উপর বিশ্বাস করে এবং তার বাঁধন খুলে দেয় কিন্তু জীবন ছাড়া পেয়ে মেয়েটিকে টাকার জন্য জেরা করা শুরু করলে মেয়েটির জীবনের কে দেখে সেখান থেকে চলে যায় অন্যদিকে সংঘ এবং অন্য একটি ছেলেকে একত্রে ফেলে যাওয়া হয় তখন সাঙ্গ জানতে পারে যে ছেলেটি অন্য একটি দেশের বাসিন্দা ছিল আর এখন মুক্তি পেয়ে.

 

বেশি পায় এটি তার বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা হতে চলেছিল কারণ তার কাছে কোনো টাকা ছিল না তাই সাঙ্গ তাকে কিছু টাকা দেয় যাতে সে নিজের বাড়িতে ফিরে যেতে পারে পরবর্তীতে দৃশ্যে আমরা জীবনকে দেখতে পায় যে কিনা তার এবং অন্যান্য প্লেয়ারদের সাথে যা কিছু ঘটেছিল সেই সম্পর্কে জানাতে পুলিশ স্টেশনে গিয়েছিল কিন্তু সেখানকার পুলিশ অফিসাররা জীবনের কোন কথাই বিশ্বাস করে না তখন যে অংশে কোন নাম্বারটি পুলিশ অফিসারকে দিলে পুলিশ অফিসারটি ওই নাম্বারে কল করে তখন একজন মহিলা অফিসার ভুল নাম্বারে কল দিয়ে বিরক্ত করার জন্য গালাগাল করে আর তারই অফিসাররা জীবনের অভিযোগ না নিয়ে তাকে সেখান থেকে বের করে দেয় এখন জীবন নিয়ে ওই নাম্বারে কল করলে সেই নাম্বারটি আউট অফ সার্ভিস পায় এরপর সেখান থেকে জীবন বাড়িতে ফিরে গেলে সে বাড়িতে তার মাকে দেখতে পাই না তাই তার মাকে খুঁজতে এসে বাইরে গেলে জীবনের.

 

সাঙ্গু সাথে দেখা হয় তখন তাকে জানায় যে স্টক মার্কেট সহ আরো কিছু ব্যবসায়ী সে অনেকগুলো টাকা ইনভেস্ট করেছিল যার ফলে সে প্রচুর ঋণগ্রস্ত হয়ে পড়েছিল এমনকি টাকার জন্য সে তাদের বাড়ি এবং তার মায়ের দোকানও বন্ধ রেখে দিয়েছিল তাই বর্তমানে যে কোন ভাবেই তার টাকার খুবই প্রয়োজন ছিল আর একারণেই গেম এ অংশগ্রহণ করেছিল তখন জীবনের কাছে একটি ফোন আসে এবং সে হাসপাতালে গিয়ে দেখতে পায় তার মায়ের পায়ে একটি বড় ধরনের ইনফেকশন হয়েছিল এবং ডায়াবেটিস থাকার কারণে তার মায়ের অবস্থা দিন দিন খারাপ হয়ে যাচ্ছিল ডাক্তার জীবনকে অপারেশনের কথা জানালে তার মা নিজেই হাসপাতাল ছেড়ে বেরিয়ে আসে কারণ তাদের কাছে হাসপাতালের খরচ বা অপারেশন করার জন্যই টাকা ছিল না এরপরও আমরা একজন ডিটেকটিভ কে দেখতে পায় যে কিনা তার পরিচিত কাউকে খুঁজে বেড়াচ্ছিল কারণ সে বেশ কিছুদিন ধরে নি.

 

হচ্ছিল এরপর ওই ডিটেকটিভ সেই লোকটিকে খুঁজতে তার বাসায় গেলে সেখানে সেকি ভিজিটিং কার্ড দেখতে পায় ওরকম করছে জীবনের কাছে রেখে ছিল যখন তার অভিযোগ জানাতে পুলিশ স্টেশনে গিয়েছিল এরপর অন্য একটি দৃশ্যে আমরা সেই প্রকৃত মান মেয়েটিকে দেখতে পাই তখন তার মাধ্যমে আমরা জানতে পারি যে তার বাবা কোন কারণে আলাদা হয়ে গিয়েছিল এবং বর্তমানে তার ছোট ভাইয়ের দায়িত্ব তার ওপরে ছিল সেই সাথে সে তার বাবা-মাকে আবারও এক করার চেষ্টা করছিল আর এ কারণেই তার প্রচুর অর্থের প্রয়োজন ছিল এখন দেশে আবারও পরিবর্তিত হয় এবং আমরা সেই ছেলেটিকে দেখতে পাই জাতিসংঘ বাড়ি ফেরার জন্য টাকা দিয়ে সাহায্য করেছিল তখন আমরা জানতে পারি যে ছেলেটির নাম ছিল আলী এবং সেই প্রথম খেলার সময় জীবনকে না জীবন বাঁচিয়ে সাহায্য করেছিল এখন সে যেখানে কাজ করছে সেখানে কর্মচারীদের ঠিকমতো হবে.

Leave a Comment