মার্ভেল কমিক্স এর স্পাইডার ম্যান মুভির একটি পরিপূর্ণ রিভিউ

 মার্ভেল কমিক্স এর স্পাইডার ম্যান মুভির একটি পরিপূর্ণ রিভিউ 

মার্ভেল কমিক্স এর স্পাইডার ম্যান মুভির একটি পরিপূর্ণ রিভিউ

হ্যালো বন্ধুরা কেমন আছো সবাই আজ আমরা দেখবো জনপ্রিয় মার্বেল ক্যারেক্টার এর উপরে তৈরি সিনেমা স্পাইডার ম্যান 2002 সালে মুক্তি পায় অ্যাকশন সিনেমা আইএমডিবি রেটিং 7.3 যেটা তৈরি করতে খরচ হয়েছিল 13 কোটি 90 লক্ষ ইউ এস ডলার আর টোটাল বক্স অফিস কালেকশন হল 82 কোটি 50 লক্ষ ইউ এস ডলার তো গল্পটা শুরু হয় আমেরিকার একটা ছোট্ট শহর থেকে যেখানে এই গল্পের প্রধান চরিত্র পিটার পার্কার দেখানো হয় পিটারের মা-বাবা মারা গেছিল সেজন্য ছোট থেকেই ও নিজের আঙ্কেল আন্টির সঙ্গে থাকত ওর আংকেল এর নাম ছিল আর আন্টির নাম মেয়ে পিঠার পড়াশোনায় খুবই ভালো ছিল কিন্তু ওর মধ্যে কোন রকম সাহস বা আত্মবিশ্বাস একদমই ছিল না এবার দেখা যায় একদিন স্কুলে যাওয়ার জন্য পিতার নিজের বাড়ি থেকে দেরি করে বেড়ে নিজের স্কুল বাস টা মিস করে ফেলেছিল সে জন্য এখন ওই বাচ্চাকে ধরার জন্য পিঠার ওঠার পেছনে দৌড়াতে শুরু করে আর পিটারকে বাসের পেছনের ওইভাবে ছুটছে দেখে বাসের ভেতরে থাকা সমস্ত স্টুডেন্ট এর ওপরে হাসাহাসি করতে শুরু করে কিন্তু বেশ কিছুক্ষন চেষ্টা করার পর বিচারক বাসে উঠে পড়ে কিন্তু বাসে ওঠার পর দেখা যায় কেউ ওর সাথে.

 

চাইছিল না এমনকি ওকে নিজেদের পাশে বসেও দিচ্ছিল না দেখে খুব ভালোভাবে বোঝা যাচ্ছিল পিটার খুব সাদাসিধে পুরো একটা বাচ্চা ছিল যার মধ্যে কোনরকম আত্মবিশ্বাস বা কোন রকম সাহস ছিল না সেজন্য বাসে ওঠার পর বেশ কিছু স্টুডেন্ট ওকে বলি করতে শুরু করে মানে ওর উপরে অত্যাচার করে সেই ব্যাপারটা নিয়ে মজা করতে শুরু করে কিন্তু বিচারের মধ্যে কোন রকম ভাবে প্রতিবাদ করার ক্ষমতা ছিল না আর এই বাসের মধ্যে নিজের নামের একটা মেয়ে ছিল জেপিডি পাশের বাড়িতেই থাকতো আর বিচারকে ছোটবেলা থেকেই খুবই পছন্দ করতো কিন্তু নিজের সাহস আত্মবিশ্বাসের অভাব কখনোই ওকে নিজের মনের কথাটা বলে উঠতে পারেনি এবার দেখা যায় কিছুক্ষণ পর সমস্ত স্টুডেন্ট কে একটা শিক্ষামূলক ভ্রমণের জন্য কলম্বিয়া ইউনিভার্সিটি ও বিজ্ঞান বিভাগে ঘুরতে নিয়ে আসা হয়েছে এবার এরা সবাই ইউনিভার্সিটির ভেতরে ঢোকার আগে ওখানে পিটারের বন্ধু হেরিয়ন চলে আসে হ্যারিপটারের সঙ্গে একই স্কুলে পড়তো আরো খুব ধনী পরিবারের সন্তান ছিল সেজন্য ও কখনই বাসে করে স্কুলে যেত না ওর বাবা সবসময় নিজেদের গাড়িতে করে ওকে স্কুলে দিয়ে আসত ভেরি বাবার নাম ছিল না.

 

অস্কট নামের খুবই বড় একটা কোম্পানির মালিক ছিলেন আর ওখানে হ্যারি নিজের বাবার সঙ্গে পিটারের পরিচয় করিয়ে দেয় তখন মিষ্টান্নর মেন্টরকে বলেন আমি হারি কাছ থেকে তোমার অনেক কথা শুনেছি আরো বলেছে তুমি নাকি বিজ্ঞানের খুবই ভালো একজন স্টুডেন্ট কিন্তু তুমি কি জানো আমিও একজন ছোটখাটো বিজ্ঞানী তখন পিতার বলে হ্যাঁ জানি আর আমি আপনার আবিষ্কার সম্পর্কে পড়েছি এটা খুবই ভাল হয়েছে যেটা শুনে মিস্টার নরম্যান পিঠের উপরে খুবই খুশি হয় এবার পিটার হ্যারি বাকি সমস্ত স্টুডেন্ট এর সঙ্গে ইউনিভার্সিটির ভেতরে ঢুকে যায় আর ওখানে একজন দুর্গা এদের সবাইকে জানায় দীর্ঘ পাঁচ বছর ধরে আমরা বিভিন্ন প্রজাতির মাকড়সার পরীক্ষা করছি আর এখন এই সমস্ত মাকড়সার দিনের মধ্যে পরিবর্তন করে ওদের শারীরিক ক্ষমতা অনেক গুণ বাড়িয়ে দিয়েছি সেজন্য এখন এদের তৈরি জাল এর সাহায্যে এরা বহু গুণ ভারী জিনিস উপরে তুলতে পারবে আর সেই একই সাথে শারীরিক ক্ষমতা অনেকটা বেড়ে গেছে সেজন্য এখন এক জায়গায় দাঁড়িয়ে সেখান থেকে অনেক লম্বা লাফ মারতে পারে আর এদের মস্তিষ্কের সমস্ত ইন্দ্রিয় এতটাই সক্রিয় হয়ে গেছে যে এরা নিজেদের দিকে আসার যে কোন বিপদ কে.

 

আগে থেকে বুঝে উঠতে পারে আর এরকম ভাবেই আমরা পনেরোটা মহাশক্তিশালী মাকড়সা বানিয়েছি যাদেরকে এখন সামনের এই বাক্স মধ্যে রাখা আছে তখন মেরি জান বলে কিন্তু এখানে তো শুধু মাত্র চৌদ্দ টাকা খুচরা আছে তখন ঐ ট্যুর গাইড বলে তাহলে হয়তো বিজ্ঞানীরা 15 নম্বর মাকড়শাকে নিয়ে পরীক্ষা করছে কিন্তু দেখা যায় আসলেই মাকড়শাটা নিজের বাক্স থেকে পালিয়ে ওই লেভের ওপরে উঠে গেছিল আর এসব কিছুর মধ্যে এটা নিজে ক্যামেরার সাহায্যে লেভেল বিভিন্ন জিনিসের ছবি তুলছিল তখনও খেয়াল করে মেরি জান একটা জায়গায় একা দাঁড়িয়ে আছে সেজন্য পিজারোর বেশ কিছু ছবি তুলতে শুরু করে আর সেই সময়ের লাভের উপরে দেয়াল থেকে একটা মাকড়সা এসে পিটারের হাতে কামড়ে দেয় এটা সেই 15 নম্বর মহাশক্তিশালী মাকড়সা ছিল যেটা নিজের বাসা থেকে পালিয়ে গেছিল আর এখন এই মাকড়সার বিষ মিটারের শরীরে ঢুকে গেছিল আর অন্যদিকে অস্ক করপোরেশনকে দেখানো হয় যেটা আসলে হেরি বাবার কোম্পানি ছিল দেখা যায় ওখানে আর্মির বেশকিছু উচ্চ পদস্থ অফিসার আর ওই কোম্পানির বোর্ড মেম্বার এসেছেন আর উনাদের সামনে ওই কোম্পানির একটা লোক একটা বিশেষ ধরনের পোশাক পড়ে একটা গ্লাইডার.

 

চেষ্টা করছে আসলে অসর্ট কম্পানি দেশের সেনাবাহিনীর জন্য বেশকিছু নতুন প্রজেক্টে কাজ করছিল যেখানে ওরা সেনাবাহিনীর জন্য এমন একটা ওষুধ তৈরি করছিল যেটার সাহায্যে যেকোনো মানুষের শারীরিক ক্ষমতা কে 800 গুণ বাড়িয়ে দেওয়া যাবে আর সেই একই সাথে ওরা সেনাদের জন্য এই অনন্ত গ্লাইডার টাও তৈরি করছিল তখন সেনার একজন অফিসার মিস্টার নোমানকে প্রশ্ন করে তাহলে আপনার ওষুধ কি পুরোপুরি তৈরি হয়ে গেছে তখন বিক্রম নামের একজন কলিগ বলে ওঠেন এই অসুস্থ এখনো পুরোপুরি তৈরি হয়নি আমরা শুধুমাত্র ইঁদুরের শরীরে এটা প্রয়োগ করেছি এই ওষুধের ফলে ওদের শারীরিক ক্ষমতা বেড়েছে ঠিকই কিন্তু সেই একই সঙ্গে ওরা নিজেদের মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলেছে আর ওদের শরীরের রাগের পরিমাণ প্রচন্ড পরিমানে বেড়ে গেছে তখন আর্মির অফিসার টা বলেন আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে যদি তোমরা ওষুধ তৈরি করতে না পারো তাহলে এই সমস্ত প্রয়োগের জন্য সরকারের তরফ থেকে আমি তোমাকে টাকা পাঠানো বন্ধ করে দেবো আসে একইসাথে তোমাদের এই প্রজেক্টটা অন্য একটা কোম্পানিতে দিয়ে দেবো আর এই কথাটা শুনে মিস্টার নরমাল খুবই চিন্তায় পড়ে যান আর অন্যদিকে দেখা যায় বিচারক কলম্বিয়া ইউনিভার্সিটি ও শেষ করে নিজের বাড়ি ফিরে.

 

কিন্তু এই মাকড়শাটা কামড়ানোর ফলে ও শারীরিকভাবে প্রচণ্ড দুর্বল হয়ে গেছিল সেজন্য ও বাড়ি ফিরে নিজের আঙ্কেল আন্টির সঙ্গে কোনো কথা না বলে সোজা নিজের ঘরে ঢুকে যায় আর ঘরে ঢোকার পর এতটাই দুর্বল লাগছিল যে ও অজ্ঞান হয়ে নিজের ঘরের মেঝেতে শুয়ে পড়ে আসলে তখন ওই বিশেষ মাকড়সার কামড়ানোর ফলে এখন পিঠারে শরীরের ডিএন এর মধ্যে বেশ কিছু পরিবর্তন ঘটেছিল আর অন্যদিকে আবার অস্কার কোম্পানি কে দেখানো হয় যেখানে নরমাল মানুষের ক্ষমতা বাড়ানোর ক্ষেত্রে নিজের উপরেই প্রয়োগ করার চেষ্টা করছিলেন কিন্তু অনেক কলিস্ট্রন অনেকে এই কাজটা করতে বারণ করেন উনি বলেন এখন অব্দি এই ওষুধটা আমরা শুধুমাত্র ইঁদুরের ওপর প্রয়োগ করেছি আমরা জানি না মানুষের ওপরে এটা প্রতিক্রিয়া কেমন হবে তুমি আমাকে দুই সপ্তাহ সময় দাও তার মধ্যে আমি সমস্ত ডাক্তার বিশেষজ্ঞ জোগাড় করে এই অসুখ থাকে পরীক্ষা করার ব্যবস্থা করছি তখন মিস্টার নরমাল বলেন আমার কাছে অত সময় নেই কারণ আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে আমাদের এই কন্ঠ একটা অন্য কোম্পানি কে দিয়ে দেওয়া হবে তাই আমাকে যা করার এখনই করতে হবে আর এরপর উনি একটা চেম্বারে মধ্যে ঢুকে বাসায় যেয়ে ওষুধ তাকে নিজের শরীরের.

 

করতে শুরু করেন আর দেখা যায় কিছুক্ষণের মধ্যে উনার শরীরের মাংসপেশি গুলো বড় হতে শুরু করেছে আর সেই একই সাথে অনেক শারীরিক ক্ষমতা বেড়ে যাচ্ছিল কিন্তু কিছুক্ষণ পর মৃত্যুর নরমাল সহ্য করতে না পেরে চেম্বারে মধ্যে ছটফট করতে করতে অজ্ঞান হয়ে যান যেটা দেখে মিস্টার স্ট্রং তাড়াতাড়ি করে অনেকে বাঁচানোর জন্য ওই চেম্বারে মধ্যে ঢুকে পড়েন কিন্তু দেখা যায় হঠাৎ করে ওখানে মিস্টার নোমানের জ্ঞান ফিরে আসে 1901 হাতিয়ে ধাক্কা দিয়ে অনেক দূরে ছুড়ে ফেলেন যে কারণে মিশন আশ্রম ওখানেই মারা যান এখানে দেখে বোঝা যাচ্ছিল নিম্নমানের শারীরিক ক্ষমতা অনেক গুন বেড়ে গেছিলো কিন্তু সে একই সাথে উনি নিজের মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলেছিলেন আর অন্যদিকে পিটারকে দেখানো হয় আগের রাতে অসুস্থ অবস্থায় বাড়ি ফেরার পর এখনো অনেকটাই সুস্থ বোধ করছিলো এখানে দেখা যায় আগের রাত অব্দি চশমা ছাড়া কোন কিছু চোখে দেখতে পেত না আরো শারীরিকভাবে প্রচণ্ড দুর্বল ছিল কিন্তু এখন যেন সবকিছু বদলে গেছে খালি চোখে সবকিছু দেখতে পাচ্ছিল আসে একইসাথে ওর শরীরে অনেক শক্তি ক্ষমতায় চলে এসেছে আর এখন ওর চেহারা স্বাস্থ্য আগের থেকে অনেকটা ভালো.

 

আর ওই বিশেষ মাকড়সার কামড়ানোর ফলে রাতারাতি পিটারের শরীরে এতগুলো পরিবর্তন চলে এসেছিল আর অন্যদিকে দেখা যায় আগের রাতে ওষুধ টা নিয়ে নিজের লাইফ থেকে বাড়ি ফেরার পর মৃত্যুর নরমাল অজ্ঞান হয়ে নিজের মেঝেতে পড়ে গেছিলেন আর এখন ঘুম থেকে ওঠার পর আগের রাতে সমস্ত ঘটনায় উনি ভুলে গেছিলেন আর সকাল বেলায় ওনার অফিসের একজন কর্মচারী ওনাকে জানাই যে ডক্টর স্ত্রঙে আগের রাতেই মারা গেছে কেউ উনাকে ল্যাবের মধ্যে মেরে ফেলে স্কয়ার কোম্পানির গাড়ি ডাটা চুরি করে নিয়ে গেছে যেটা শুনে মিস্টার নরমাল খুবই অবাক হয়ে যান মনে হচ্ছিল আগে রাতের ঘটনা সম্পর্কে উনি যেন কিছুই জানেন না এবার অন্য দিকে দেখা যায় স্কুলে আসার পর যখন ক্যান্টিনে বসে নিজের খাবার খাচ্ছিল তখন ও খেয়াল করে মেরি জান হাতে একটা খাবারের ট্রে নিয়ে ওর দিকে এগিয়ে আসছে আর্পিতা তখন নিজের মাথার মধ্যে হঠাৎ করেই একটা বিপদের সংকেত অনুভব করতে পারে আর দেখা যায় কিছুক্ষণের মধ্যেই ম্যানেজারের কাছে এসে পা পিছলে সমস্ত খাবার নিয়ে পড়ে যাচ্ছিল কিন্তু ওখানে কোন দুর্ঘটনা ঘটার আগেই পিটার একহাত দিয়ে মেরি জান কে আর অন্য হাত দিয়ে ওর ট্রেন সমস্ত খাবার খেয়ে মাটিতে পড়ার আগেই ধরে নেয়.

 

যেটা দেখে মেডিসিন খুবই প্রভাবিত হয় কারণ এই মুহূর্তে এটা যে কাজটা করেছিল সেটা একরকম ভাবা অসম্ভব ছিল এবার ওকে ধন্যবাদ জানিয়ে মেরি ওখান থেকে চলে যাওয়ার পর পিটার খেয়াল করে ওর হাতের সঙ্গে টেবিলে পড়ে থাকে একটা চামচ আটকে গেছে আর ওই চামচ তাকে টেনে নিজের হাত থেকে ছাড়ানোর সময় দেখা যায় ওর হাত থেকে মাকড়শার মতন জল বেরিয়ে সামনের টেবিলে একটা খাবারের পাতে জায়গায় আটকে গেছে কিন্তু কোনোভাবেই বুঝে উঠতে পারছিল না এখন ওর সাথে এটা কি হচ্ছে এবারও নিজের হাতে লেগে থাকা ওই চাঁদটাকে ছাড়ানোর জন্য ওটাকে ধরে জোরে একটা টান দেয় যে কারণে ওর জালের মাথায় আটকে থাকা খাবারটা ছিটকে এসে ফ্ল্যাশ নামে ওদের স্কুলের অন্য একটা ছেলের গায়ে লাগে যদিও পিঠার এই কাজটা ইচ্ছা করে করেনি কিন্তু এই ঘটনার জন্য ফ্ল্যাশ নামের ওই ছেলেটা প্রচন্ড রেগে গেছিল আর ওপিঠ আর কে মারার জন্য এখন ওর পিছনে যেতে শুরু করে কিন্তু এবারও পিঠা আগে থেকেই বিপদের সংকেত পেয়ে গেছিল সেজন্য ও ফ্ল্যাশের মারের হাত থেকে বারবার নিজেকে খুবই সহজে বাঁচেনি ছিল ওখানে বাকি সমস্ত বাচ্চারা মনে করছিল পিটার হয়তো এই মুহূর্তে প্লাস এর কাছে খুবই বাজে ভাবে মার খাবে.

 

খুবই শক্তিশালী ছিল আর ছিল খুবই দুর্বল প্রকৃতির সাদাসিধে একটা বাচ্চা কিন্তু দেখা যায় এখানে পুরো ঘটনাটাই উল্টে গেছিলো ফ্ল্যাশ অনেক চেষ্টা করেও তাকে কোনোভাবেই মানতে পারছিল না তখন পিটার ওকে একবার আঘাত করাতেই প্লে স্টোর থেকে অনেকটা দূরে ছিটকে গিয়ে খুবই গুরুতর ভাবে আহত হয়ে যায় যেটা দেখে ওখানে থাকা সমস্ত স্টুডেন্ট এমনকি পিটান নিজেও প্রচন্ড অবাক হয়ে যায় কেউই বুঝে উঠতে পারছিল না বিচার এই কাজটা করলো কিভাবে আর এই ঘটনার পর পিটার তাড়াতাড়ি করে নিজের স্কুল থেকে বেরিয়ে পাশের একটা ফাঁকা গুলি তে চলে আসে আর ওখানে পিঠার ভালো করে নিজের হাতের দিকে তাকানোর দেখতে পায় ওর হাতের তালুতে মাকড়সার পা এর মতন বেশকিছু সূক্ষ্ম কাটা বেরিয়েছে যে কারণে অন্যান্য জিনিসপত্র খুবই সহজে ওর হাতে আটকে যাচ্ছিল আর এখন ওগুলো সাহায্যে খুব সহজেই নিজের পাশে থাকা একটা দেয়ালের উপরে উঠতে শুরু করে আর দেখা যায় খুব সহজেই ও মাকড়শার মতন ওই দেয়ালের উপরে উঠতে শুরু করেছে আর এইভাবে খুবই অল্প সময়ের মধ্যেই বিদ্যালয় বিল্ডিং এর ছাদে উঠে পড়ে আর ওখান থেকে ও খুব সহজেই লাভ মেরে এক বিল্ডিং থেকে অন্য বিল্ডিং এর ছাদে পৌঁছে যেতে.

Leave a Comment